ঢাকা ডায়েরি ইসলামী ডেস্ক:
ইসলামে অন্যের হক নষ্ট করা হারাম। কিন্তু মৌমাছি মানুষ নয়, এরা আল্লাহর সৃষ্টি, আর আল্লাহই মানুষের জন্য অনেক জিনিসকে উপকারী ও হালাল করেছেন।
পবিত্র আল-কোরআনে আল্লাহ মধু সম্পর্কে যা বলেছেন: “তাদের (মৌমাছির) পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় (মধু) বের হয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে আরোগ্য।” (সূরা আন-নাহল ১৬:৬৯) এ থেকে বোঝা যায়, আল্লাহ মধুকে মানুষের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছেন।
তবে ইসলামে একটি শর্ত দেয়া আছে: যদি কেউ এমনভাবে মধু নিয়ে নেয় যে, পুরো চাক ধ্বংস হয়ে যায় বা মৌমাছিরা অনাহারে মারা যায়, তাহলে সেটা নিষ্ঠুরতা এবং ইসলাম প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ সমর্থন করে না।
কিন্তু মৌচাষীরা সাধারণত মৌমাছির জন্য যথেষ্ট মধু রেখে দেন বা প্রয়োজনে বিকল্প খাদ্য দেন। এতে মৌমাছির ক্ষতি হয় না। এভাবে মধু সংগ্রহ করা জায়েজ রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, মৌমাছির চাক যেন ভেঙে ফেলা না হয় এবং কিছু মধু মৌমাছির খাদ্য হিসেবে রেখে দিতে হবে। যাতে করে মধু বা খাদ্যেও অভাবে মৌমাছি মারা না যায় সেদিকে খেয়ার রাখতে হবে।
অর্থাৎ ইসলামে, মৌমাছির প্রতি জুলুম না করে, তাঁদেও বাঁচিয়ে রেখে মধু সংগ্রহ করা ইসলামে বৈধ। কারণ আল্লাহ নিজেই মধুকে মানুষের জন্য উপকারী নিয়ামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।





