গাজীপুর সংবাদদাতা:
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার অতিপরিচিত বাণিজ্যিক কেন্দ্র সফিপুর বাজার। প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই এলাকাটি। তবে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় এখন আর স্বস্থির নিশ্বাস ফেলার উপায় নেই। চারপাশের যানজট আর কোলাহলের মাঝেই গেড়ে বসেছে দুর্গন্ধের রাজত্ব। সফিপুর উড়ালসড়কের নিচের অংশটি এখন যেন রূপ নিয়েছে খোলা এক ভাগাড়ে।
সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উড়ালসড়কের ঠিক নিচে এবং ব্যস্ত সড়কের এক পাশে সারি দিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে বাসা-বাড়ীর বস্তা বস্তা ময়লা-আবর্জনা। পচা সবজির উচ্ছিষ্ট, ওয়ান-টাইম পøাস্টিক এবং কলার পাতা। দীর্ঘদিনের জমে থাকা এসব বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে পুরো বাজারজুড়ে। ভোগান্তিতে ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সফিপুরের এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন পোশাক কারখানার হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ পথচারী যাতায়াত করেন। ময়লার স্তৃপ পেরিয়ে পার হতে গিয়ে নাকে রুমাল দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিয়মিত ব্যবসা পরিচালনা করি, অথচ বাজারের নির্দিষ্ট কোনো বর্জ্য ফেলার জায়গা বা ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেই। বাধ্য হয়ে অনেকেই সড়কের মাঝখানে ময়লা ফেলছেন। এতে ক্রেতারাও দোকানে আসতে চান না। বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি খোলা জায়গায় এভাবে পচনশীল আবর্জনা জমে থাকায় মশা ও মাছির আনাগোনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বর্ষা বা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় এসব ময়লা থেকে ডেঙুগুসহ নানা পানিবাহিত ও বায়ুবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জরুরি সমাধানের দাবি একটি দ্রুতবর্ধনশীল বাণিজ্যিক এলাকার কেন্দ্রস্থলে এমন চিত্র কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সফিপুর বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত এই আবর্জনা অপসারণ এবং স্থায়ী ডাস্টবিন বা পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক এ এইচ এম ফখরুল হোসাইনের সরকারি মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলো তিনি রিসিভ করেননি।




