ঢাকা ডায়েরি ডেস্ক:
বাংলা সাহিত্যের নন্দিত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে নানা আয়োজনে তাঁকে স্মরণ করা হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) সকালে পরিবারের সদস্য, স্বজন, ভক্ত, পাঠক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত করা হয়।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হুমায়ূন আহমেদের সহধর্মিণী মেহের আফরোজ শাওন। এ সময় তিনি নুহাশ পল্লীতে কেবলমাত্র হুমায়ূন আহমেদের রচিত বই নিয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি বিশেষায়িত লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুলে ধরেন।
শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিকর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আরও সহজলভ্য করে তুলতে এমন একটি লাইব্রেরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশ-বিদেশ থেকে নুহাশ পল্লীতে আগত দর্শনার্থী ও সাহিত্যপ্রেমীরা সেখানে বসেই তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্ম পড়ার সুযোগ পাবেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নুহাশ পল্লীতে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন পরিবারের সদস্য, সংস্কৃতিকর্মী, সাহিত্যপ্রেমী, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। শ্রদ্ধা নিবেদন, কবর জিয়ারত এবং স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে তাঁরা বাংলা সাহিত্যের এই প্রখ্যাত লেখকের প্রতি গভীর সম্মান জানান।
১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। উপন্যাস, নাটক, চলচ্চিত্র ও শিশুতোষ সাহিত্যে অসামান্য অবদানের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এক অনন্য স্থান অধিকার করেন। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তাঁর ইচ্ছানুযায়ী গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।





